কাঠের পাটাতনটিই এখন ভরসা

কাঠের পাটাতনটিই এখন ভরসা

রাজশাহী

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থেকে সালপাড়া বাজার এলাকায় কালভার্টের উপর দিয়ে চলাচলকারী কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। কয়েক মাস আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার করার পরই কালভার্টের মাঝ বরাবর ভেঙে একটা অংশ দেবে গেছে।বিকল্পভাবে চলাচলের পথ না থাকায় বাধ্য হয়ে এ কালভার্ট দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। যেকোনো সময় কালভার্ট ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও পথচারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরোনো এই কালভার্ট নড়বড়ে হয়ে পড়েছে বছর দুয়েক আগে। এরপরও কালভার্টের সংস্কার করা হয়নি। কয়েক মাস আগে এই কালভার্টকে উপজেলা প্রকৌশলী ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেন। ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরই কালভার্টটির মাঝ বরাবর ভেঙে একটা অংশ দেবে যায়। ভেঙে যাওয়ার পর উপজেলা প্রকৌশলী কাঠের পাটাতন দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করে দেয়।

বিকল্পভাবে চলাচলের পথ না থাকায় বাধ্য হয়ে এই কালভার্ট দিয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার লোকজন চলাচল করে। মোটরসাইকেল আরোহী ইউসুফ হোসেন বলেন, মাস ছয়েক আগে থেকে কালভার্টের এমন সমস্যা। কেউই কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। আমরা খুব ভয়ে এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছি।স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুর রহমান রাব্বি, সোহেল রানা, শাহিনসহ অনেকেই বলেন, এই কালভার্ট ২ বছর আগে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল এবং ৭-৮ মাস আগে ভেঙে দেবে যায়।

পরে ইউএনও স্যার এসে রাস্তা থেকে গাছ কেটে কাঠের একটি ব্রিজ বানিয়ে দেয়। এখান দিয়ে শুধু রিকশা ও ভ্যান ছাড়া কোনো বড় যানবাহন চলাচল করে না।ব্রিজ দিয়ে হেঁটে পার হচ্ছিলেন এক পথচারী। তিনি বলেন, ‘এই ব্রিজের জন্য আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। এটি ঠিক করা খুবই দরকার। মানুষসহ যাহবাহন চলাচলের ব্যাপক কষ্ট হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে পাঁচবিবি উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘ব্রিজটির ডিজাইন, ড্রয়িং আমাদের হাতে এসেছে। এটি চেক করার জন্য বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন একটি টিম গেছে। তারা ক্লিয়ারেন্স দিলে এ মাসেই টেন্ডারে চলে যাবে।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :