তাহেরপুর পৌর যুবলীগের প্রান সোহেল রানা

তাহেরপুর পৌর যুবলীগের প্রান সোহেল রানা

তাহেরপুর

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন রাজশাহীঃ

আকাঙ্খা-মানুষের সহজাত প্রবূত্তি।একটি আকাঙ্খা পুরনের সাথে সাথেই নতুন আকাঙ্খার জন্ম হয়। কিছু কিছু আকাঙ্খা পুরণ হওয়া মানুষের অধিকারের মধ্যে পড়ে। এই অধিকার আদায়ের জন্য সংগঠনের কোন বিকল্প নাই। সংগঠনের মধ্যে অনেক রকম কাজ থাকে , যা কোন একক ব্যক্তির পক্ষে করা অসম্ভব।

সেই সকল কঠিন কাজ নিমিষেই সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংগঠনের মধ্যে ঐ নির্দিষ্ট লক্ষে একটি বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়। বর্তমান আহ্বায়ক কমিটিও অনুরুপ একটি কমিটি। সাংবিধানিক ভাবে -নেতা নির্বাচন, কমিটি গঠন, কর্মসুচী গ্রহন ও বাস্তবায়নই আহ্বায়ক কমিটির লক্ষ ও উদ্দেশ্য। ইতিমধ্যে তাহেরপুর পৌর যুবলীগের আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ ও যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা সহ ৪১ জন সদস্যর নাম উল্লেখ করে আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সেই সাথে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ওয়ার্ড সম্মেলন সমাপ্ত করে পৌর যুবলীগের সম্মেলন সম্পাদন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন রাজশাহী জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহ্ ও রাজশাহী জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আজম সেন্টু। এদিকে তাহেরপুর পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানার নাম ঘোষণার পর তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগ সহ সহযোগী সংগঠনের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।তাহেরপুর পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সোহেল রানা একমাত্র অভিভাবক।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগকে বলা হতো আওয়ামী লীগের লাঠি। সোহেল রানা আওয়ামী যুবলীগ প্রথম থেকেই আওয়ামী লীগের সবচেয়ে সক্রিয় ক্রিয়াশীল এবং শক্তিশালী সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করেছে।যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রাম, মাঠে লোক জমায়েত করা কিংবা প্রতিপক্ষেকে ঘায়েল করার কাজেই ব্যবহার করা হতো যুবলীগকে। আন্দোলন লড়াইয়ের মাধ্যমে রাজপথ দখলের রাজনীতিতে থাকার জন্য যুবলীগই ছিল অভয়ারণ্য বা নিরাপদ আশ্রয়স্থল।

সেভাবেই গড়ে উঠেছে তাহেরপুর পৌর যুবলীগ সোহেল রানা। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগই প্রথম এর বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিবাদ করেছিল। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর যুবলীগই তার নিরাপত্তার প্রধান দায়িত্ব পালন করেছিল।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের নিজস্ব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে সারা দেশে কেমন যুবলীগ চাই’ এ নিয়ে গবেষণা পরিচালিত হয়েছিল। সেই গবেষণায় উঠে এসেছে যে, যুবসমাজ যুবলীগকে তরুণ মেধাবীদের একটা প্ল্যাটফরম হিসেবে দেখতে চায়, যেন অন্য তরুণরাও তাদের মতো হতে উজ্জীবিত হয় এবং তাদের মতো হওয়ার পথ খুঁজে পায়।ঠিক তেমন একজন যুবলীগ নেতা সোহেল রানা।

গত ১৪ ফেব্রয়ারী তাহেরপুর পৌর নির্বাচনে সোহেল রানার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। দিন রাত পরিশ্রম করে নৌকা প্রতীক কে বিজয়ী করেছেন।শুধু তাই নয় করোনা ভাইরাসে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সহযোগিতা করতে দেখা গিয়েছে।তাই তাহেরপুর এলাকা বাসির দাবি সোহেল রানা কে তাহেরপুর পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায়।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :