ধরাছোঁয়ার বাইরে রাজশাহীর ১০ নং চর ও চরখানপুর এলাকার মাদক সিন্ডিকেট

ধরাছোঁয়ার বাইরে রাজশাহীর ১০ নং চর ও চরখানপুর এলাকার মাদক সিন্ডিকেট

রাজশাহী

লিয়াকত হোসেন রাজশাহী:

রাজশাহীর কাটাখালি থানাধীন ১০ নম্বর খিদিরপুর ও খানপুর এলাকা এখন মাদক ও চোরাচালান সিন্ডিকেটের সদস্যরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সারা রাজশাহী জুড়ে মাদক বিরোধী অভিযান চললেও এই এলাকার চিহ্নিত মাদক গডফাদাররা অধরাই রয়ে গেছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ভয়ে গডফাদাররা আত্মগোপনে চলে গেছে। তারা আন্ডার গ্রাউন্ডে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে পুরো জেলায় মাদকের রমরমা ব্যবসা।

ছিঁচকে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের ছাড়া তেমন উল্লেখযোগ্য কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

কিছু অসাধু বাক্তি ও প্রশাসনের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে বন্ধ হচ্ছে না এই মাদক ব্যবসা। আর এই কারনে বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছেন নেপথ্যে থাকা মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের মুলহোতা আক্কাস আলি। 

মাঝপথের সরবরাহকারী খুচরা বিক্রেতা ও সেবনকারীরা গ্রেপ্তার হলেও দুর্বল মামলা ও আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে তারা বেরিয়ে যাচ্ছেন। এসব কারণে চোরাচালান বন্ধের বদলে উল্টো গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ছে তারুণ্য ধ্বংসের এ হাতিয়ার মাদক। বিনিময়ে আঙ্গুর ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন সিন্ডিকেটের মুলহোতারা। সুত্র যানায়, এ এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আলো বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার পর আত্মগোপনে চলে যান এ গডফাদাররা।

এদের মধ্যে তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারীদের মধ্যে রয়েছে চরখিদিরপুরের আক্কাস আলী পিতা- মৃত ইমরান আলী, শহিদুল ইসলাম পিতা- মো সাজু , নবাব আলী পিতা- মৃত ইমাজ উদ্দিন, রবিউল ইসলাম পিতা মৃত ইমরান, বেলাল পিতা- মৃত দুলাল, মানিক পিতা শুকুর আলী, আল আমিন পিতা আসরাফ আলী, ও সম্রাট আলী পিতা- জিন্নাত আলী। 

তাদের অনেকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজশাহীর কাটাখালিসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এরা সবাই বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী।

এরা ১০ নং চরখিদিরপুর ও চর খানপুর এলাকাকে মাদকের অভয় অরণ্য বানিয়ে ফেলেছে। এদের নদীর এপাশ ও ওইপাশ মিলে রয়েছে বিশাল নেটওয়ার্ক। 

এর প্রতিকার চেয়ে কয়েক দিন আগে অত্র এলাকার সচেতন নাগরীদের পক্ষে চরখিদিরপুর এলাকার আনারুল ইসলাম নামে একব্যক্তি  রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রাজশাহী বিজিবি’র সিও এর নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :