র

নাটোরে পাঁচজনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার আদেশ দিয়েছেন আদালত

রাজশাহী

মোঃ ইসরাফিল হোসেনঃ

নাটোরে এক চিকিৎসকসহ পাঁচজনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৬ মে) দুপুরে নাটোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলজার রহমান এ আদেশ দেন। আদালত চলাকালে এজলাসে বসে বিচারক নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মোবাইল ফোনে এ আদেশ দেন।

অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ অক্টোবর নাটোর জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অজিত কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে নাটোর সদর হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ সুমনা সরকার (৪৫), তার বোন চিকিৎসা কর্মকর্তা সাগরিকা সরকার, বাবা সুনীতি সরকারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়, বড়গাছা পালপাড়া মহল্লায় নিজ বাড়িতে ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন আইনজীবী অজিত কুমার। তার বাড়ির পেছনে চিকিৎসক সুমনা সরকার ও তার বোন সাগরিকা সরকার নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। তারা আইনজীবীর বাড়ির পূর্বপাশের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা করতে চাইলে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৪০ জন দুর্বৃত্ত দিয়ে ওই আইনজীবীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বসতবাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। গত বছরের ১ অক্টোবর সন্ধ্যায় এই হামলা চালানো হলে ওই আইনজীবী ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে ৫ অক্টোবর তিনি মামলা দায়ের করেন।

হত্যার প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলাটি দুই দফা তদন্ত হয়। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালত মামলার আসামি নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুমনা সরকার, (৪৫), তার বোন সাগরিকা সরকার (৩০), মা করুণা রানী সরকার (৫৫), বাবা সুনীতি রঞ্জন সরকার (৬০) এবং সহযোগী মো. মাসুমের (৫০) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ২০ এপ্রিল আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা নাটোরের পুলিশ সুপার বরাবর পাঠানো হয়। কিন্তু সদর থানা আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি।

বুধবার মামলাটির শুনানির তারিখ ছিল। আদালতে মামলাটি উঠলে বাদীর আইনজীবী আদালতকে জানান, আসামি সুমনা সরকার ও তার বোন সাগরিকা সরকার সদর থানা ভবনের অদূরেই হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই শহরেই তারা বিচরণ করেন। অথচ পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। আদালতকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। আদালত শুনানি শেষে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করার আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আলী আজগর বলেন, আসামিরা সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় হয়তো পুলিশ গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে বিলম্ব করছে। আমরা বিষয়টি আদালতের নজরে এনেছি। আদালত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা সন্তুষ্ট।

এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহমেদ আদালতের আদেশ কার্যকর করা হবে বলে জানান।

নাটোর সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক পরিতোষ চন্দ্র রায় বলেন, তিনি গ্রেফতারি পরোয়ানা সম্পর্কে কিছু জানেন না। সুমনা সরকার সদর হাসপাতালে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তার বোন সাগরিকা সরকার সম্প্রতি অন্যত্র বদলি হয়েছেন।

নাটোরে এক চিকিৎসকসহ পাঁচজনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৬ মে) দুপুরে নাটোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলজার রহমান এ আদেশ দেন। আদালত চলাকালে এজলাসে বসে বিচারক নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মোবাইল ফোনে এ আদেশ দেন।

অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ অক্টোবর নাটোর জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অজিত কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে নাটোর সদর হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ সুমনা সরকার (৪৫), তার বোন চিকিৎসা কর্মকর্তা সাগরিকা সরকার, বাবা সুনীতি সরকারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়, বড়গাছা পালপাড়া মহল্লায় নিজ বাড়িতে ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন আইনজীবী অজিত কুমার। তার বাড়ির পেছনে চিকিৎসক সুমনা সরকার ও তার বোন সাগরিকা সরকার নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। তারা আইনজীবীর বাড়ির পূর্বপাশের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা করতে চাইলে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৪০ জন দুর্বৃত্ত দিয়ে ওই আইনজীবীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বসতবাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। গত বছরের ১ অক্টোবর সন্ধ্যায় এই হামলা চালানো হলে ওই আইনজীবী ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে ৫ অক্টোবর তিনি মামলা দায়ের করেন।

হত্যার প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলাটি দুই দফা তদন্ত হয়। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালত মামলার আসামি নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুমনা সরকার, (৪৫), তার বোন সাগরিকা সরকার (৩০), মা করুণা রানী সরকার (৫৫), বাবা সুনীতি রঞ্জন সরকার (৬০) এবং সহযোগী মো. মাসুমের (৫০) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ২০ এপ্রিল আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা নাটোরের পুলিশ সুপার বরাবর পাঠানো হয়। কিন্তু সদর থানা আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি।

বুধবার মামলাটির শুনানির তারিখ ছিল। আদালতে মামলাটি উঠলে বাদীর আইনজীবী আদালতকে জানান, আসামি সুমনা সরকার ও তার বোন সাগরিকা সরকার সদর থানা ভবনের অদূরেই হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই শহরেই তারা বিচরণ করেন। অথচ পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। আদালতকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। আদালত শুনানি শেষে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করার আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আলী আজগর বলেন, আসামিরা সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় হয়তো পুলিশ গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে বিলম্ব করছে। আমরা বিষয়টি আদালতের নজরে এনেছি। আদালত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা সন্তুষ্ট।

এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহমেদ আদালতের আদেশ কার্যকর করা হবে বলে জানান।

নাটোর সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক পরিতোষ চন্দ্র রায় বলেন, তিনি গ্রেফতারি পরোয়ানা সম্পর্কে কিছু জানেন না। সুমনা সরকার সদর হাসপাতালে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তার বোন সাগরিকা সরকার সম্প্রতি অন্যত্র বদলি হয়েছেন।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :