পাইকগাছায় সাংবাদিকদের কন্ঠ রোধ করতে একের পর এক মামলা : নিন্দা ও প্রতিবাদ

পাইকগাছায় সাংবাদিকদের কন্ঠ রোধ করতে একের পর এক মামলা : নিন্দা ও প্রতিবাদ

জাতীয়

স্টাফ রিপোর্টার :

খুলনার পাইকগাছায় সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করে অবস্থা বেগতিক দেখে উল্টো সাংবাদিকদের নামেই বিভিন্ন ধারায় মামলা করলো ডাক্তার মামুন। মামলা নং ২১, তাং ২১/০১/২০২৩। এর আগে পাইকগাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এ্যাডঃ এফ এম এ রাজ্জাক সহ তার পরিবার ষড়যন্ত্র মূলক মামলার শিকার হন।

একের পর এক সাংবাদিকদের নামে মামলা হওয়ায় পরিস্থিতি ভিন্নখাতে মোড় নিচ্ছে।সূত্র জানায়, সাংবাদিকদের কন্ঠ রোধ করতে একটি মিশন সার্বক্ষনিক মাঠে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য সংগ্রহে এখন সাংবাদিকরা প্রতিমূহুর্তে প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছে। জানা যায়, গত ১৯ জানুয়ারী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সংবাদ সংগ্রহ করতে যান জেষ্ঠ সাংবাদিক ও দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকার পাইকগাছা প্রতিনিধি আব্দুল মজিদ।

কর্তব্যরত ডাক্তার ছুটি না নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করার বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক্তার মামুন সাংবাদিক আব্দুল মজিদ কে গালিগালাজ সহ লাঞ্চিত করে বের করে দেন। এই ঘটনার পর শনিবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১ টার সময় তথ্যসনুন্ধানে যান কয়েকজন সাংবাদিক।এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাক্তার মামুন বেশামাল হয়ে পড়েন। এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রে উপস্থিত সাংবাদিকদের বেরিয়ে যেতে বলেন তিনি।

তার ক্ষিপ্ত হওয়া ও উদ্ভট আচরনের বিষয়ে সাংবাদিকরা উপজেলা প.প. কর্মকর্তাকে অবহিত করতে ফোনে যোগাযোগ করায় আরো ক্ষিপ্ত হয়ে হঠাৎ সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটান ডাক্তার মামুন। এ ঘটনায় সাংবাদিকরা মামলা করার প্রস্তুতি নিলে কৌশলে উপজেলা প.প. কর্মকর্তা বিষয়টি নিস্পত্তি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাংবাদিকদের নিবৃত করেন। এই সুযোগে ডাঃ মামুন নিজে বাদী হয়ে ৪ জন সাংবাদিক সহ ৫ জনের নামে মামলা করেন।

বিষয়টি সাংবাদিক মহলকে রীতিমত বিব্রত করেছে।সাংবাদিকদের নামে এহেন হয়রানীমুলক মামলা করায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মল্লিক, মহাসচিব মো: সুমন সরদার, কেন্দ্রীয় সংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) জি এম মিজানুর রহমান সহ কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া অবিলম্বে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বিবৃতি প্রদান করেছেন সংগঠনের পাইকগাছা উপজেলা কমিটি’র সভাপতি শেখ আব্দুল গফুর, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ, সহ-সভাপতি জি.এম আসলাম হোসেন, সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান রিন্টু, সাধারন সম্পাদক মো: ফসিয়ার রহমান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, পলাশ কর্মকার, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, এ.কে আজাদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক তপন পাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ নাদীর শাহ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সোহাগঅর্থ সম্পাদক শাহজামাল বাদশা, প্রচার সম্পাদক মো: শাহরিয়ার কবির, দপ্তর সম্পাদক এস.কে আলীম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সম্পাদক: আ: সবুর আল আমীন, ক্রীড়া সম্পাদক মিলন দাশ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ, নির্বাহী সদস্য শেখ দ্বীন মাহমুদ, শেখ সেকেন্দার আলী, এইচ.এম এ হাসেম, মো: আসাদুল ইসলাম, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, আবু ইসহাক আলী, মাজাহারুল ইসলাম মিথুন, এস.এম আব্দুর রহমান, মো: ইকবাল হোসেন, জি.এম মোস্তাক আহম্মেদ, শেখ খায়রুল ইসলাম, মো: শফিয়ার রহমান।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :