পুঠিয়া উপজেলায় এলজিইডি’র রাস্তা নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

পুঠিয়া উপজেলায় এলজিইডি’র রাস্তা নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

রাজশাহী

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় রাস্তা নির্মাণ কাজে নিম্নমানের ইট খোয়া ও ক্যার্পেটিং ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ইতোমধ্যেই অধিকাংশ কাজ শেষ করেছে ঠিকাদার। যার কারণে কাজের স্থায়ীত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের কলাহাটা থেকে ঢালায় কমড়পুর ছান্দাবাড়ি পযন্ত রাস্তার কাজটি করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মুন জেবি ট্রেডার্স।

১৫০০মিটার রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় প্রকৌশল অফিসকে ম্যানেজ করে রাস্তার কাজে অতি নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ জানালে ঠিকাদারের লোকজন তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দেয়ার হুমকি ও দেন। তবে রাস্তার কাজে কোনো গাফলতি বা অনিয়ম হচ্ছে না বলে জানান উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলমান অর্থবছরে উপজেলা এলজিইডি’র অধিনে ৩টি প্যাকেজে ১ কোটি ৪২লাখ টাকার কাজ করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। নিয়ম অনুসারে সড়কের পুরোনো কার্পেটিং তুলে নতুন কার্পেটিং করার নিয়ম থাকলেও তা করছে না ঠিকাদার।

স্থানীয় জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, গত কয়েকদিন আগে থেকে এই রাস্তার পুননির্মাণ কাজটি শুরু হয়। কিন্তু রাস্তার পুরোনো কাপেটিং না উঠিয়ে জরাজির্ন স্থানে বালু দিয়ে তার উপর কিছু তিন নাম্বার ইটের সাথে ঝুনা প্রিকেট মিশিয়ে কাজ করছেন।

তারা আরো বলেন, প্রায় প্রতিটি ঠিকাদার কাজের সুবাদে উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগের সাথে বিশেষ সমঝোতা করেন। যার কারণে রাস্তা গুলো সংস্কার ও পুননির্মাণের বছর না ঘুরতেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

এ ব্যাপারে কোহিনুর বেগমের সাথে কথা বললে তিনি কোনো কথা না বলে খলিল নামে এক ব্যক্তিকে ফোন দেন এবং তার ফোনে ব্যালেন্স না থাকার কারণে সাংবাদিকের ফোন নিয়ে ওর্য়ার্কাস্টন খলিলকে ফোন দিয়ে বলেন, খলিল ভাই সবাই পালিয়েছে কেউ নাই আমি আছি আপনি আসেন মাল আর মিসিং করেন না এরা ধরছে কাজ বন্ধ করেন।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে ঠিকাদারের পার্টনার পলাশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের রাস্তার কাজ কোথাও খারাপ করা হচ্ছে না। রাস্তায় ব্যবহিত ইটগুলোর মান খুবই ভালো। এলাকাবাসীদের অভিযোগের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই এলাকার কিছু লোকজন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা প্রচার করছেন।

এ ব্যাপারে পুঠিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, রাস্তার কাজে কোনো অনিয়ম করার সুযোগ নেই। আমাদের একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী সেখানে দেখাশুনা করছেন।ঠিকাদার যিনিই হোক না কেনো কাজে অনিয়ম পেলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :