পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ টাকা

পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৮ টাকা

অর্থনীতি

রাজশাহী টাইমস ডেক্সঃ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) বন্ধ থাকায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অনেকটা কমে গেছে। ফলে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ কম আসায় দাম কেজিতে ৮ টাকা বেড়ে যাচ্ছে। তবে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, আগামী রমজানের আগেই নতুন করে আইপি চালু করলে পেঁয়াজের দাম হাতের নাগালে থাকবে।

হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর পেঁয়াজের আমদানি শুরু করে বাংলাদেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে দেশের পেঁয়াজ চাষিদের ক্ষতির কথা চিন্তা করে আমদানিতে আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ সরকার। আমদনিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো আগের করা আইপি দিয়ে গেল মাসে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে।

হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, গেল দুই দিনে ভারতীয় ৫ ট্রাকে ১২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। যা আগের তুলনায় অনেক কম।

হিলি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখো গেছে, ১৫ দিন আগে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে। চাহিদার তুলনায় আমদানি কমে যাওয়ায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ এক লাফে ৮ টাকা বেড়ে ২৭-২৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ আমদানি সংকট অজুহাতে রমজানের আগে দাম বেড়ে যাওয়ায় খানিকটা বিপাকে পড়েছেন পাইকার ও সাধারণ ক্রেতারা।

হিলি স্থলবন্দরের বেশ কয়েকজন আমদানিকারক ঢাকা পোস্টকে বলেন, রমজান মাসে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ ঠিক ও কম দামে ভোক্তাদের দিতেই আমরা আগের আইপি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করি। তবে আইপি শেষের দিকে, এ জন্য আমদানি কমে যাচ্ছে।

যেখানে কয়েকদিন আগে এই বন্দরে ২০ থেকে ২৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এখন সেখানে আমদানি হচ্ছে দু বা তিনটি করে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সরকার আইপি খুলে দিলে আবারো পেঁয়াজের আমদানি বাড়বে সেই সঙ্গে বাজারে কমে আসবে দাম।

পেঁয়াজের পাইকার সোহেল রানা ঢাকা পোস্টকে বলেন, হিলি স্থলবন্দর থেকে পেঁয়াজ কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করি। কিন্তু হঠাৎ করে আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। পেঁয়াজ কিনে অন্যত্র বিক্রি করে লাভের চেয়ে লোকশান গুণতে হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ার কারণে এমন হচ্ছে বলে তিনি মনে করছেন।

কাঁচাবাজারে পেঁয়াজ নিতে আসা আব্দুল করিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রতি বছর রমজান মাসের আগে নানা অজুহাতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়। আমরা সাধারণ ক্রেতা। বিষয়গুলো আমরা মেনে নিয়েছি। তবে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান তারা।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :