বাগমারায় প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশনঃ চাই স্ত্রীর স্বীকৃতি

বাগমারায় প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশনঃ চাই স্ত্রীর স্বীকৃতি

রাজশাহী

বাগমারা প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় প্রেমিকের বাড়িতে স্ত্রী স্বীকৃতির দাবিতে অনশন করেছেন মোসাঃ  লাকি আক্তার (২৫) নামের এক প্রেমিকা। ঘটনাটি বাগমারা উপজেলার ৯ নং শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামের ঘটেছে।৬ মে বৃহস্পতিবার  সকাল ৭ ঘটিকার সময় ৯ নং শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামের সামেদ আলীর ছেলে শহিদুল ইসলামের বাড়িতে স্ত্রীর দাবিতে অনশন করেন প্রেমিকা লাকি।

ঘটনার সূত্রধরে শহীদুল ইসলাম ও লাকী আক্তারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ ৮ থেকে ৯ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে বাগমারা উপজেলার সামেদ আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম ও চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার লাকি আক্তারের চেনা জানা।  সেখান থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

এরপর থেকে লাকি আক্তারের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন শহিদুল ইসলাম। ধীরে ধীরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গভীর হলে বিয়ের দিকে গড়ায়। সেই বিয়ের সুবাদে লাকি আক্তার বৃহস্পতিবার  সকালে স্ত্রীর অধিকার নিয়ে আসে শহিদুল ইসলামের বাড়িতে। কিন্তু শহিদুল ইসলামের পরিবারের লোকজন লাকী আক্তারকে বাড়িতে উঠতে দেয় না এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম সাংবাদকর্মীদের জানান, মেয়েটির সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ও চিনা জানাছিল কিন্তু আমি মেয়েটিকে বিয়ে করিনি মেয়েটি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছে। এ বিষয়ে আমি আইনের সহায়তা নিবো। কিন্তু লাকি আক্তার জানান, শহিদুল ইসলাম আমাকে ইসলামিক শরীয়ত মতে বিয়ে ও কাজী অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রি করেন। বিয়ের কাগজ দেখতে চাইলে  লাকি আক্তার বিয়ের কোন ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, তেবাড়িয়া গ্রামের সামেদ আলীর ছেলে শহিদুল ইসলামে তৃতীয়  স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন লাকি আক্তার। এলাকাবাসী জানান, শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে  নারী নিয়ে অনেক কেলেঙ্কারি রয়েছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহিদুল ও লাকী আক্তার কেউই আইনের কোনো সহায়তা গ্রহণ করেননি।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :