বাগমারার হামিরকুৎসায় পুকুর খননের সময় পাওয়া প্রাচীন মূর্তি আত্মসাতের চেষ্টা

বাগমারার হামিরকুৎসায় পুকুর খননের সময় পাওয়া প্রাচীন মূর্তি আত্মসাতের চেষ্টা

রাজশাহী

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

বাগমারার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের আলোকনগর সরদারপাড়ায় পুকুর খননের সময় একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি পাওয়া গেছে। লোকমুখে ঘটনা টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে একটি ভাঙ্গা কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে এক্সাভেটর (ভেকু) মেশিনের সাহায্যে পুকুর খননের সময় একটি প্রাচীন মূর্তি বের হয়ে আসে। এসময় পুকুরের মালিক পক্ষের একজন জনৈক হান্নান সরদার মূর্তিটি নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাটি লোকমুখে জানাজানি হলে খবর পেয়ে ভাগনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের-তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদ ও আঃ সাত্তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঐদিন বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন।

হান্নান সরদার মূর্তি পাওয়ার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে পুলিশের চাপের মুখে একটি ভাঙ্গা কষ্টিপাথরের মূর্তি বের করে দেয়। তবে প্রতক্ষদর্শী ও আমাদের সংবাদদাতারা এই প্রতিবেদককে পূর্ণাঙ্গ মূর্তি পাওয়া গেছে বলে জানান।

হামিরকুৎসা ইউপি যুবলীগের সভাপতি ইমন জানান, হান্নান সরদার সহ অন্যান্যরা মূর্তি পাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশকে ধোঁকা দিতে কাঁদা মাখা একটি পাটা দেখিয়ে বলে এটা পাওয়া গেছে। তবে পরে পুলিশের জেরার মুখে একটি ভাঙ্গা মূর্তি বের করে দেয়। মূর্তিটির একটি হাতসহ একাংশ নেই।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোস্তাক আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। মূর্তিটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

ভাঙ্গা মূর্তি উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুকুর খননকারীরা রাষ্ট্রীয় সম্পদ মূল্যবান কষ্টি পাথরের মূর্তিটি আত্মসাতের চেষ্টা করছিল। তারই অংশ হিসেবে প্রশাসনের হাতে পূর্নাঙ্গ মূর্তি জমা না দিয়ে অংশবিশেষ জমা দেওয়া হয়েছে।তারা এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :