বৃষ্টি ঝড়ের কবলে বরেন্দ্রঞ্চলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি : তীব্র শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক

বৃষ্টি ঝড়ের কবলে বরেন্দ্রঞ্চলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি : তীব্র শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক

রাজশাহী

মো.আককাস আলী :

দফায় দফায় ঝড় বৃষ্টির কবলে বরেন্দ্রঞ্চলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওইসব পরে যাওয়া ধান ঘরে তুলতে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুন টাকা। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না শ্রমিক। তীব্র শ্রমিক সংকটে দিশেহারা শস্যভান্ডার হিসাবে খ্যাত বরেন্দ্রঞ্চলের বোরো চাষীরা।

ঝড় বৃষ্টির কবলে অনেক চাষী নিচু জমির ধান ঘরে তুলতে না পারাই চোখে অন্ধকার দেখছেন।মহাদেবপুর উপজেলার ঈশ্বরপুর গ্রামের কৃষক পান্জু সরদার জানান,‘আমি প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছি। কালবৈশাখী দফায় দফায় বৃষ্টির কারনে মাটির সাথে ধান একাকার হয়েগেছে। শ্রমিকেরা দ্বিগুন টাকা দিয়েও ধান কাটতে অনিহা প্রকাশ করছে।

একই কথা বললেন বোরা চাষী মাসুদ রানা,সিদ্দিকুর রহমান,আবু রায়হান।’ নুয়ে পড়া ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তা মান্দা উপজেলার দক্ষিণ মৈনুম গ্রামের কৃষক অজয় কুমার আট বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ধানের শীষ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় দানা মাটির সঙ্গে লেগে থাকায় ধান কাটতে শ্রমিকদের বেশি মজুরি দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না।

একই কথা জানান রাণীনগর উপজেলার মাধাইমুড়ি গ্রামের চাষি জুয়েল হোসেন এবং বড়খোল গ্রামের সাদ্দাম হোসেনও।

সাপাহার উপজেলার মালিপুর গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন, কাশিতাড়া গ্রামের আবুল কাশেম জবই গ্রামের কৃষক শাহজাহান জানান, বর্তমানে এই এলাকায় ধান কাটা শ্রমিকের তীব্র সংকট হওয়ায় নুড়ে পড়া ধান ঘরে তুলতে আশংখা প্রকাশ করেছেন।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে নওগাঁয় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। কালবৈশাখী ও বৃষ্টির কারনে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ধান নুয়ে পড়েছে।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :