এটা বাংলাদেশের প্রধান জাতীয় জামেমসজিদ। যেখানে একপাশে আগুন জ্বলছে অন্যপাশে ভারতীয় পতাকা পতপত করে উড়ছে।। আর এটাতে সহায়তা করছে আমার আপনার মতো মুসলিম পুলিশ সেনাবাহিনী আর কিছু ভারতীয় এজেন্ট। আর এদের মদদ দিচ্ছে সরকার আর সরকারি কিছু গুন্ডা।। ভবিষ্যতে আরও কিছু দেখার বাকি আছে। আল্লাহ সব কিছুর হেফাজতের মালিক।

বেপরোয়া গতির কারণেই রাজশাহীর মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

রাজশাহী

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বেপরোয়া গতির কারণেই রাজশাহীর কাটাখালিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের কাটাখালি থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নারী ও শিশুসহ প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন।

রাস্তার পাশে কাটাখালি থানার সিটিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে, মহাসড়কের পাশের গাছতলায় আগে থেকেই একটি সাদা রঙয়ের লেগুনা বা হিউম্যান হলার (রাজ মেট্রো- হ-১১-০২১১) দাঁড়িয়েছিল। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে বাঁশ নিয়ে একটি ভ্যান রাজশাহীর দিকে যাচ্ছিল। পেছন থেকে কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো চ-১৩-৭০৬৬) ভ্যানটিকে অতিক্রম করার চেষ্টা করে।

ওই সময় হানিফ পরিবহনের দ্রুতগামী একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো ট-১৫-৩৮১০) চলে এলে মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ছিটকে গিয়ে বাসটি মহাসড়ক থেকে নেমে গিয়ে গাছের সঙ্গে আটকে যায়। অন্যদিকে মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার গ্যাস ফেটে আগুন ধরে যায়। মাইক্রোবাস থেকে সে আগুন পাশে দাঁড়ানো লেগুনাতে ছড়িয়ে পড়ে।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুর রশিদ জানান, বেপরোয়া গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর মাইক্রোবাসটিতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার গ্যাস ফেটে আগুন ধরে যায়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ সবাই মারা যান।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ছয়জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন দমকলকর্মীরা। হাসপাতালে ছয়জনই মারা যান। পরে নারী ও শিশুসহ ১১ জনের অঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয় মাইক্রোবাসটি থেকে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৭ জন মারা গেছেন।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :