মাদক ব্যবসায়ীর সাথে মাসিক চুক্তি করতে গিয়ে তোপের মুখে এএসআই কুদ্দুস!

মাদক ব্যবসায়ীর সাথে মাসিক চুক্তি করতে গিয়ে তোপের মুখে এএসআই কুদ্দুস!

রাজশাহী

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাজশাহী নগরীর পাওয়ার হাউজ পাড়ায় পলি নামের এক মাদক কারবারীর কাছে মাসোহারার টাকা ঠিক করতে যায় এএসআই কুদ্দুস। এ সময় মাসোহারা দিতে অস্বিকার করে পলি। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে থানায় ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় ওই এএসআই। বলে তোর কাছে মাদক না পেলেও আটক করে মাদকের মামলা দেবো। এ সময় উভয়ের মধ্যে ব্যপক কথাকাটাকাটি হয়।

ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (২০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে। পলি ওই এলাকার শামীমের স্ত্রী। তার পিতার নাম মোয়াজ্জেম।

মাদককারবারী পলি সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে বলেন, আমার কাছে প্রতি মাস হিসেবে টাকা নেওয়ার প্রস্তাব দেন এএসআই কুদ্দুস। তার কথায় রাজি না হলে তিনি আমাকে মাদক না পেলেও আটক করে মাদকের মামলা দেয়ার হুমকি দেন।
এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে কল দিয়ে জানতে চাইলে এএসআই কুদ্দুস, কথা বলতে রাজি হননি।
জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন করার কথাও না। রাত ৮টায় তার ডিউটি শেষ করে চলে গেছে। তারপরও খোঁজ নেওয়ার কথা বলেন ওসি।

এদিকে অভিযোগ এসেছে, পুরো মতিহার এলাকা জুড়ে মাদকের ছড়াছড়ি, চলছে রাত-দিন জুয়ার আসর, বেড়েছে চুরি ছিনতাই এর মতো ঘটনা। অভিযোগ উঠেছে,পুরনো সকল চিহিৃত মাদক কারবারীরা বুক ফুলিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের ব্যবসা। রয়েছেন, ধরা ছোয়ার বাইরে মূল মাদক কারবারীরা। কাজলা এলাকায় ঘটছে একের পর এক চুরি,ছিনতাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন,যোগ্য অভিযান অব্যাহত না থাকায় মতিহারে অপরাধ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। এক বোতল ফেনসিডিলের দাম নাকি ২ হাজার টাকা।

আর এই মাদকের টাকা জোগাড় করতে দিন রাত এক করে দিচ্ছে মাদক সেবীরা। এখনি মাদক ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরা না হলে অপরাধ মূলক কর্মকান্ড আরও বৃদ্ধিপাবে ও সমাজ রসাতলে তলিয়ে যাবে সুশিক্ষায় শিক্ষিত যুবক খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে যাবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন উক্ত অভিযোগ কারী শিক্ষক।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :