মুসলিমদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে?

মুসলিমদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে?

ইসলাম

ইসলামীক ডেক্সঃ

টি একটি হাদিসের পরিভাষা। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন। আবার সময় উপযোগী যথাযথ উত্তরও দিয়েছেন। কিছু প্রশ্ন ছিল এমন- তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে? কোন ব্যক্তির জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হবেন প্রিয় নবি? আবার মুসলিমদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে?

হ্যাঁ, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসবেরই সুন্দর ও সময় উপযোগী উত্তর দিয়েছেন। যাতে রয়েছে মানুষের হৃদয়ের খোরাক। তাহলে মুসলিমদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে?

১. যার হাত ও জবান থেকে মানুষ নিরাপদ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘পূর্ণাঙ্গ মুসলিম ব্যক্তি সে, যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে। আর প্রকৃত মুহাজির হলো সে ব্যক্তি, যে সব কাজ পরিত্যাগ করেছে যেসব কাজ পরিহার করতে বলেছেন স্বয়ং আল্লাহ। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘এক ব্যক্তি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন- মুসলিমদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে?’

তিনি বললেন, যার জিহ্বা ও হাত (অনিষ্ট) থেকে অন্য মুসলিমগণ নিরাপদে থাকে।’ (বুখারি, মুসলিম, দারেমি, নাসাঈ, মুসনাদে আহামদ, মিশকাতুল মাসাবিহ)

যিনি প্রকৃত মুসলিম

হজরত সাহল ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, একদিন এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন তাঁর কাছে বসা লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- এই যে লোকটি গেল; তার সম্পর্কে তোমার ধারণা কী?

সে (সাহাবা) বললো- ইনি তো সম্ভ্রান্ত লোকদের একজন। আল্লাহর শপথ! ইনি এমন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি যে, সে যদি কোনো নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় তখন তার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হবে। আর যদি সে কারও সম্পর্কে সুপারিশ করে তখন তার সুপারিশ গ্রহণ করা হবে।

এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (কিছুক্ষণ) নীরব থাকলেন।

এসময় অন্য এক ব্যক্তি ওই পথ অতিক্রম করলো। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (এ ব্যক্তি সম্পর্কেও তাকে) প্রশ্ন করলেন-

এ লোকটি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী?

উত্তরে সে (সাহাবা) বললো- হে আল্লাহর রাসুল! তিনি তো দরিদ্র মুসলিমদের একজন। তিনি তো এরই উপযোগী যে, যদি তিনি কোনো নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় তবে তার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হবে না। আর যদি তিনি সুপারিশ করেন, তাও গ্রহণ করা হবে না। আর যদি তিনি কথা বলেন তা-ও শোনা হবে না।

তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, (তুমি যার প্রশংসা করেছ) সারা পৃথিবীর মধ্যে তার মতো লোকে ভরপুর থাকলেও তাদের (সবার) তুলনায় এ (দ্বিতীয় দরিদ্র মুসলিম) লোকটি উত্তম (যার তুমি দুর্নাম করেছ)।’ (বুখারিমুসলিমইবনে মাজাহ)

৩. যিনি প্রথম কাতারে নামাজ পড়েন

ঘরে একা একা নামাজ পড়ার চেয়ে জামাতে নামাজ পড়ার ২৫/২৭ গুণ সাওয়াব বেশি। তাছাড়া প্রথম কাতারে দাঁড়িয়ে তাকবিরে উলার সঙ্গে নামাজ পড়ার ফজিলত আরও বেশি। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় তা প্রমাণিত। এ কারণে নামাজ পড়ায় এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি-

> নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথম কাতারের মুসল্লিদের জন্য তিনবার ও দ্বিতীয় কাতারের মুসল্লিদের জন্য একবার দোয়া করেছেন।

> দ্বিতীয় কাতারের নামাজ আদায় করার চেয়ে প্রথম কাতারে নামাজ পড়া উত্তম।

> প্রত্যেক কাতারের বাম দিক থেকে ডান দিক উত্তম।

> আল্লাহ তাআলা নামাজের জামাতের প্রথম কাতার এবং কাতারের ডান দিকের ওপর রহমত বষর্ণ করেন।

> ফেরেশতাগণ প্রথম কাতারের এবং কাতারের ডানদিকের লোকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

তাকবিরে উলা

হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ৪০ দিন প্রতি ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিতভাবে জামাতের সঙ্গে এমনভাবে আদায় করবে যে, তার প্রথম তাকবির ছুটে না যায়; তবে তার জন্য দুইটি জিনিস থেকে অব্যহতির ফয়সালা করা হয়।

> জাহান্নামের আগুন থেকে অব্যাহতি।

> মুনাফেকি থেকে অব্যাহতি ও রক্ষা।’ (তিরমিজি)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, পুরুষদের সর্বোত্তম কাতার হচ্ছে প্রথমটি আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট হচ্ছে শেষেটি।’ (আবু দাউদ)

হজরত ইরবাজ ইবনে সারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথম কাতারের জন্য তিনবার (রহমত ও মাগফিরাতের) দোয়া করতেন, তারপর দ্বিতীয় কাতারের জন্য একবার। (নাসাঈ)

৪. যারা কোরআন শেখে এবং শিক্ষা দেয়

 হজরত উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সবচেয়ে উত্তম যে কোরআন শিখে এবং অন্যকে শেখায়।’ (বুখারি)

৫. যিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী

হজরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অশ্লীল ভাষী ও অসদাচরণের অধিকারী ছিলেন না। তিনি বলতেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম যে নৈতিকতায় (চরিত্রের দিক থেকে) সর্বোত্তম।’ (বুখারি, মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ)

৬. যিনি পরিবারের কাছে উত্তম

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে নিজের পরিবারের কাছে উত্তম। আর আমি তোমাদের চেয়ে আমার পরিবারের কাছে অধিক উত্তম। (ইবনে মাজাহ)

৭. যে স্ত্রীর কাছে উত্তম

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে ঈমানে পরিপূর্ণ মুসলমান হচ্ছে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তি। যেসব লোক নিজেদের স্ত্রীদের কাছে উত্তম, তারাই তোমাদের মধ্যে অতি উত্তম।’ (তিরমিজি)

৮. উপকারি ব্যক্তি

হাদিসে পাকে এসেছে, ‘মানুষের মধ্যে উত্তম তারা, যারা অন্যের উপকার করে।; (তবরানি)

৯. উত্তম আমলকারী

হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, কোনো এক ব্যক্তি প্রশ্ন করলো, হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উত্তম ব্যক্তি কে? তিনি বলেন, যে দীর্ঘ জীবন পেয়েছে এবং তার আমল সুন্দর হয়েছে। সে আবার প্রশ্ন করল, মানুষের মধ্যে কে নিকৃষ্ট? তিনি বলেন, যে দীর্ঘ জীবন পেয়েছে এবং তার আমল খারাপ হয়েছে।’ (তিরমিজি)

১০. যারা আল্লাহকে বেশি ভয় করে

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো- শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী মানুষ কে?’

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে আল্লাহ তাআলার কাছে শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী ওই ব্যক্তি, যে আল্লাহকে বেশি ভয় করে।’ (বুখারি)

মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী ওই ব্যক্তি, যে অধিক আল্লাহ ভীরু হয়।’ (সুরা হুজরাত : আয়াত ১৩)

১১. আল্লাহর পথে জেহাদকারী

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! সর্বোত্তম মানুষ কে?’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ওই মুমিন! যে নিজ জান-মাল নিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে।’ (বুখারি)

১২. যাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়

হজরত আসমা বিনতে ইয়াজিদ রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি হলো সে; যাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়।’ (ইবনে মাজাহ)

১৩. আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী মানুষ কে?’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘শ্রেষ্ঠতম মানুষ ওই ব্যক্তি যে আল্লাহ তাআলাকে অধিক স্মরণ করে।’ (বায়হাকি)

১৪. যার বিদ্বেষ নেই

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে আরজ করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! সর্বোত্তম মানুষ কে?’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক ওই ব্যক্তি, যার অন্তর পাপমুক্ত, পরিষ্কার, কারো প্রতি কোনো আক্রোশ ও বিদ্বেষ নেই এবং যে সত্যবাদী হয়।’ (ইবনে মাজাহ)

১৫. তাওবাহকারী

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি হলো ওই গুনাহগার! যে অধিক তাওবা করে থাকে।’ (বায়হাকি)

১৬. প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী

হজরত আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, একবার আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ঘরের পাশে বসা ছিলাম, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হয়ে বললেন, ‘আমি কি বলব, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম মানুষ কে?’ সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ‘হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসুল!’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম মানুষ হলো যে প্রতিশ্রুতি পূরণে অধিক প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’ (মুসনাদে আনু ইয়ালা)

১৭. ঋণ পরিশোধকারী

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহা  থেকে বর্ণিত, একজন লোক নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে তার (প্রাপ্য) উটের তাগাদা দিতে আসে। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবিদের বলেন, তাকে একটি উট দিয়ে দাও। তাঁরা বলেন, তার চেয়ে উত্তম বয়সের উটই পাচ্ছি। লোকটি বলল, আপনি আমাকে পূর্ণ হক দিয়েছেন, আল্লাহ আপনাকে যেন পূর্ণ হক দেন। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তাকে সেটি দিয়ে দাও। কেননা, মানুষের মধ্যে সেই উত্তম, যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে। (বুখারি)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি যে নিজ পাওনাদারের পাওনা উত্তমভাবে আদায় করে।’ (বুখারি)

এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সেসব উত্তম মানুষের জান্নাতের জিম্মাদার হবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন, যারা নিজেদের জবানের হেফাজত করতে পারবে। এবং ইজ্জতের হেফাজত করতে পারেবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সর্বোত্তম মুসলিম হওয়ার জন্য উল্লেখিত কাজগুলো যথাযথভাবে আমর করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। সর্বোত্তম মুসলিম হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :