মোটরসাইকেলের সিসি সীমা কি তুলে দিচ্ছে সরকার?

মোটরসাইকেলের সিসি সীমা কি তুলে দিচ্ছে সরকার?

কৃষি ও অর্থনীতি

রাজশাহী টাইমস ডেক্সঃ

দীর্ঘদিন ধরে শুধু সিসি সীমা তুলে না দেওয়ায়, দেশীয় মোটরবাইক শিল্প কতটা এগিয়েছে, তা দেখানো যাচ্ছে না বিশ্বকে। তবে দেরিতে হলেও এক ধাক্কায় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে দেশে সাড়ে ৩০০ সিসির মোটরবাইক তৈরি ও বিক্রির অনুমতি দিতে যাচ্ছে সরকার।

দেশের বাজারে এখন সর্বোচ্চ ১৬০ সিসির মোটরসাইকেল বিক্রি করতে পারেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কেউ যদি রফতানি করতে চায় তাহলে তৈরি করতে পারে ২০০ সিসির বাইক। কিন্তু মোটরসাইকেলের আন্তর্জাতিক বাজারে এই চাহিদা আরও বেশি। আবার দেশের ভেতরেও বাড়ছে বেশি সিসির বাইকের আবেদন। তাই সরকার বাড়াতে চায় সিসি সীমা।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, মানুষের এখন সিসির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। আমরা খুব দ্রুত এই ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত জানাব।’

আলোচনা চলছে ৩৫০ সিসির বাইক নিয়ে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনুমোদন দেওয়া হোক ৫০০ সিসি পর্যন্ত। এতে অটোমোবাইল খাতে আসবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ।

রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, ‘সিসি সীমা খুলতে হলে মিনিমাম ৫০০ সিসি পর্যন্ত খোলা উচিত। পরে আবার ৩৫০ থেকে ৫০০ সিসি পর্যন্ত যেতে খুলতে গেলে এই ফাইল কিন্তু চৌদ্দ জায়গায় ঘুরতে থাকবে। আবার এই ফাইল ঘুরে এসে ডিসিশন নিতে দুই বছর লাগবে।’

২০১৭ সালে দেশে আড়াই লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়েছিল। পরের বছর রাইড শেয়ারিং সার্ভিস চালুর পর থেকে যার প্রবৃদ্ধি এক লাফে দাঁড়ায় তিন গুণে। পাশপাশি ছয়টি প্রতিষ্ঠান এখন দেশেই তৈরি করছে মোটরসাইকেল।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :