রাজশাহীতে স্বামী স্ত্রীর প্রতারণার শিকার এক সফল ব্যাবসায়ী সারোয়ার

রাজশাহীতে স্বামী স্ত্রীর প্রতারণার শিকার এক সফল ব্যাবসায়ী সারোয়ার

রাজশাহী

লিয়াকত রাজশাহীঃ

রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া এলাকার এক সফল ব্যাবসায়ী মো সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতারক আমিরুলের স্ত্রী উম্নে আতিয়া। 

উম্মে আতিয়া দুই শিশু কন্যার জননী। স্থায়ী বাসা রাজশাহীর পুঠিয়ায় হলেও স্বামী মনিরুল ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বাসা বাধেন নগরীর বড়বনগ্রাম শেখপাড়া এলাকায় এরপর শুর হয় তার প্রতারণার জাল।

এই প্রতারণার জালে ব্যাংক বিমা এনজিও ও ব্যাবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা রাজশাহীর সফল ব্যাবসায়ী সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  বিভিন্ন স্থানীয় ও অনলাইন পোর্টালে আমার বিরুদ্ধে ফ্যাক্টারির কর্মচারিদের সাথে আঁতাত করে এক নারীর স্বামীর ক্রয়কৃত ৩.৮৫ কাঠা জমি, মাল্টাসি ও টাইলস ফ্যাক্টরি এবং মিনি ট্রাক দখল করে এবং ফাঁকা ব্যাংক চেকে স্বাক্ষর নিয়ে এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছে মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আসলে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রকৃত ঘটনা হলো মনিরুল আমার নিকট চেক দিয়ে ৩ কাঠা ১৪ ছটাক জমি ক্রয় করেছে এবং ব্যবসার জন্য ঋন গ্রহন করেছে। সেইসাথে এই টাকা পরিশোধ করার কথা বলেন মনিরুল। আসলে ফ্যাক্টরীতে একটি জেনারেটর  ও একটি ভাইব্রেট মেশিন ও কিছু তৈরী মালামাল ছাড়া আর কোন প্রকার মালামাল নাই।

বর্তমানে বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংকের ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে মনির দেউলিয়া হয়ে গেছে। ব্র্যাক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে দিতে না পেরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ সংক্রান্ত মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী তিনি ব্র্যাক ব্যাংক হতে ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন।

এখন সুদে আসলে তা দঁাড়িয়েছে ১৪ লক্ষ টাকায়। এছাড়া উদ্দিপন, আশা ও আশ্রয়সহ অন্যান্য এনজিও থেকে ২৫ লক্ষ টাকা নিয়ে তিনি পালিয়ে গেছেন। এছাড়াও নিটল টাটার গাড়ির জিম্মির কথা বলা হয়। যা টাটা শোরুমের নিকট কিস্তি দিতে না পারায় চুক্তি অনুযায়ী নিটল মটরস্ আমাকে প্রকাশে ৩লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় গাড়িটি ক্রয় কথা বললে আমি গাাড়িটি ক্রয় করি।

একই এলাকায় বসবাস করার জন্যই মনিরকে তিনি সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও ইসলামী ব্যাংকে জমি মরগেজ রেখে ঋন নিয়ে আমাকে আটাশ লক্ষটাকা প্রদান করার কথা বলে অন্য জায়গায় জমি বিক্রি করে পালিয়ে যারয়ার জন্যই মনির ও তার স্ত্রী এই নাটক সাজিয়েছেন বলে জানান এই ব্যাবসায়ী সারোয়ার। তিনি আবারও এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। 

এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনকারী উম্মে আতিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও তার সাথে যোগাযোগ করা যায় নাই এজন্য তার বক্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। 

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :