রাজশাহীর"হাইড আউট"রেস্তোরায় তাহেরপুরের শুভ হত্যার আসামী কাওছার ২ দিনের রিমান্ডে

রাজশাহীর”হাইড আউট”রেস্তোরায় তাহেরপুরের শুভ হত্যার আসামী কাওছার ২ দিনের রিমান্ডে

রাজশাহী

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন, রাজশাহীঃ

(০৪ ডিসেম্বর) বিকেল তিনটার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাহেরপুর নিবাসী মাহাবুর রহমানের ছেলে রাজশাহী হাইড আউট রেষ্টুরেন্টের প্রধান বাবুর্চি শাহিন আলম শুভ মৃত দেহ উদ্ধার করেন বোয়ালিয়া থানা পুলিশ।কে বা করা শুভকে হত্যা করে লাশ মেডিকেল কলেজ রেখে গেছে তা নিয়ে চলছিল নানান জল্পনা কল্পনা।সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটবে বলে পরিববার রিপোট পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন, ০৭/০১/২০২১ ইং তারিখে হত্যার ১ মাসের পর PM রিপোর্ট হাতে পাওয়া যায়।PM রিপোর্টে মৃত শাহীন আলম শুভর মৃত্যুর কোন কারন ও ধরন নির্ধারণ করতে পারেনি মর্মে উল্লেখ করা হয় যা দেখে আরো সন্দেহ হয়।

শাহিন আলম শুভ কে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়। আর এর সাথে জড়িত ছিল শুভর বিবাহিত স্ত্রী,স্ত্রীর বাবা,হাউড আউট রেস্তোরাঁর মালিক কর্মচারি। রাজশাহী মেডিকেল ভর্তির পুলিশ কেস হতে চমৎকার কিছু তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে ভর্তি করান আশরাফুজ্জামান পিতা মোঃনুরুল ইসলাম গ্রাম আলিগন্জ থানা রাজপাড়া।

মৃত শাহীন আলম শুভর পিতা নামের যায়গায় আলমগীর আলম ও মাহাবুর রহমান। কেন মৃত শুভর পিতার যায়গায় আলমগীরের নাম আসলো সেটিও নিয়ে নানান জল্পনা কল্পনা শুরু করছে শুভর পরিবার। PM রিপোট পাওয়ার আগে বেশ কয়েকবার মৃত শাহীন আলম শুভর নিজ বাড়ি তাহেরপুর পৌর সভায় সংবাদ সম্মেলন করেন মাহাবুর রহমান সহ তার পরিবারের লোকজন।

সংবাদ সম্মেলনে শুভর পিতা বলেন, ভালোবাসার বিয়ে শুভ হত্যার মুল কারন। আমার সন্তান শুভকে প্রেমের জালে বন্দিকরে রাজশাহী ড্যাস কালেকশনের মালিক আলমগীরের মেয়ে এহিদিন নেসা প্রিতি। রাজশাহী কলেজের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজের খরচ যোগান দিতে রাজশাহী “হাইড আউট” রেস্তোরাঁয় বাবুচি কাজ করতেন।

শুভর এহিদিন নেসা প্রতির সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আর এই সম্পর্কের পরে গত ৮ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখে রাজশাহী লোটারী পাবলিক দপ্তরের এভিডেভিড বিয়ের কাগজ শুভর মৃত্যুর পর তার ল্যাপটপ হতে একটি স্কান কপি উদ্ধার করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। সেখানে এহিদিন নেসা পিতা আলমগীর সাং দক্ষিণ নওদাপাড়া,পোস্ট সপুরা থানা শাহমুখদুম রাজশাহী।

শাহিন আলম শুভর বিবাহ হয়। আর এই বিয়ে কাল হয়ে দাড়ায়,প্রতির আর শুভর বিয়ের ব্যাপার টা আলমগীর জানতে পারায় শুভকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়। এদিকে শুভর পিতা মাহাবুর রহমান বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় ৩জন আসামীর নাম উল্লেখ ও অঙ্গাত আসামী করে মামলা দায়ের করা হয় বোয়ালিয়া থানায় মামলা নং৪৩/২০২১ মামলার ১দিন পর গত ১২/০১/২০২১ ইং মামলার ২নং আসামী কাওসার কে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া পুলিশ।

গত ২১/০১/২১ ইং তারিখের কাওছার কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২দিনের রিমান্ডে নিয়ে আসেন বোয়ালিয়া মডেল থানা। শাহিন আলম শুভর পিতা মাহাবুর রহমান বলেন,প্রিতি ও রেস্তোরাঁর মালিক সায়েম ও কর্মচারী কাওসার কে জিঙ্গাসা বাদ করলে পাওয়া যাবে শুভকে কিভাবে তারা হত্যা করেছে।

মামলার ২ নং আসামী কাওসার কে গ্রেফতার হয়েছে। বাঁকী আসামীদের দূত গ্রেফতারের জোর দাবি করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোয়ালিয়া মডেল থানার উপ পরিদর্শক( এস আই) মিজানুর রহমান মুঠোফোন জানান,হত্যা মামলার ২নং আসামী কাওসার কে ২দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য চেষ্টা করছি। হত্যার সাথে যারা জড়িত থাকবে তদেরকে দূত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :