রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত ২

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত ২

রাজশাহী

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ডিস ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. দেলওয়ার হোসেন (২৮) ও সোহানুর রহমান (১৮) নামের দুই ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (৩১ মে) দুপুর ৩টায় গোদাগাড়ী থানাধীন বামলাহাল কালিদাসপুর এলাকার একটি বিলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কাকুন হাট পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দিলেও পুলিশ ঘটনাস্থল যায়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।

এলাকাবাসী জানায়, চব্বিশনগর এলাকার ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘ ১০ বছর থেকে ডিস ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

ডিস ব্যবসা দখলে নিতে আনোয়ারের শেল্টারে জনির নেতৃত্বে, পলাশ, রাকিবসহ অন্তত ১৫/১৬ জন স্থানীয় প্রভাবশালীরা জোর করে ওমর ফারুকের বৈধ সংযোগ কেটে দেয় এবং আনোয়ার হোসেনের অবৈধ সংযোগ চালু করা চেষ্টা করে।

এখবর পেয়ে ওমর ফারুক তার স্যালক দেলওয়ার হোসেন  ও সোহানুরকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে তাদের নিষেধ করে।েএক পর্যায় পলাশের হাতে থাকা রড দিয়ে দেলওয়ার হোসেনের মাথায় আঘাত করে। দেলওয়ার হোসেন বর্তমানে রামেকের ৮ নং ওয়ার্ড নিউরোসার্জারী বিভাগে ভর্তি রয়েছেন। তার অবস্থা আসংকাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিতসক। তার মাথায় ৭টি সেলাই পড়েছে ও শরিলের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে।

এছাড়া তারা দলবদ্ধ হয়ে ওমর ফারুক ও শোহান নামের এক যুবককেও এলোপাথারি মারধর করে। ভুক্তভোগী ওমর ফারুক জানান, আমি সরকারের লাইসেন্সপ্রাপ্ত একজন বৈধ ব্যবসায়ী। দীর্ঘ ১০ বছর থেকে রিশিকুল ইউনিয়নে ডিস লাইনের ব্যবসা করে আসছি। গত বছরের মার্চ মাস থেকে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি জোর করে আমার ব্যবসা দখলে নিতে স্থানীয় জনিকে হাত করে এবং আমার ব্যবসার বাধা সৃষ্টি করছে।

আমার এযাবত ২৫ লাখ টাকার অপটিকেল ফাইবার, নুড, হাইব্রিড, এ্যাম্পসহ আরবি তার কেটে নিয়ে যায় তারা। সোমবার দুপুরে একই ঘটনা ঘটালে তাদের নিষেধ করি। তা না শুনে উল্টো আমাদের মারধর করে তারা।

ওমর ফারুক আরও বলেন, বামলাহাল কালিদাসপুর এলাকার জোড় করে ডিস লাইনের সংযোগ দেয়ার বিষয়ে আজ দুপুর আড়াইটার দিকে ককোন হাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মাহমুদুল হাসানকে ফোন দিয়ে জানায়। তিনি বলেন, আমি গাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। কিন্তু গাড়ি না পাঠিয়ে বলেন, ফাঁড়িতে এসে অভিযোগ করে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাকোন হাট ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওমর ফারুক আমাকে ফোন দিয়ে ছিলেন। তবে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ততা থাকায় এছাড়া ফাঁড়িতে ফোর্স কম থাকায় ঘটনাস্থল ফোর্স পাঠাতে পারেনি। তবে বিস্তারিত জেনেছি অভিযোগ পেলে হামলাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :