রাজশাহীর সকল প্রশাসন ও সাংবাদিক তার পকেটে পুকুর খননকারী কে এই স্বপন

রাজশাহীর সকল প্রশাসন ও সাংবাদিক তার পকেটে পুকুর খননকারী কে এই স্বপন

রাজশাহী

লিয়াকত রাজশাহী : 

রাজশাহী পবা উপজেলার বরগাছি ইউনিয়নের ভালামে গমের জমি নষ্ট করে রাস্তা তৈরি করে পুকুর খননের মাটি পরিবহন করছে ভালাম এলাকার বাসিন্দা স্বপন। আবার সেই পুকুর খননের মাটি রাস্তার উপরে পরে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। পুরো উপজেলার গ্রামীণ সড়কগুলোর একই অবস্থা।

উপজেলাব্যাপী অবৈধ পুকুর খননের মাটি পরে রাস্তার এমন অবস্থা হয়েছে বলে জানায় এলাকাবাসী। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক হলো বরগাছি ইউনিয়নের ভালাম এলাকায়। এছাড়া ভবানীপুর কালচিকা রামচন্দ্রপুর সারেংপুর উল্লেখযোগ্য স্থান।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ভালাম এলাকার সাবেক মেম্বার আনসার আলির ছেলে স্বপন একই সাথে দুইটি পুকুর খনন করছে ভালাম এলাকায় তার বিরুদ্ধে কিছু বললে মিথ্যা মামলার ভয় ভিতি এবং মেরে ফেলার হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে বলে একাধিক ব্যাক্তি অভিযোগ করেন। 

সে এতটায় ক্ষমতা ধর যে তার কাছে সাংবাদিকসহ প্রশাসন হাতের ময়লা ফুদিলেই উড়ে যাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।এ বিষয়ে পুকুর খননকারী স্বপনের মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি কথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মৃত্যুর হুমকি প্রদান করে।

দি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্ট ১৯৫২ এর ৩ ধারা অনুশারে এলজিআরডি রাস্তা নষ্ট করে পুকুরের মাটি পরিবহন করলে জরিমানা অথবা দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও কোন নিয়ম আইন তোয়াক্কা না করে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এসব কাজ করে যাচ্ছে কতিপয় ভূমিখেকো অসাধু ব্যক্তি যার ভর্তুকি দিতে হচ্ছে খোদ সরকারকে।

পুকুরের মাটি পরে একটু বৃষ্টিতেই রাস্তার বেহাল অবস্থা। এলাকাবাসীরা রাস্তাগুলোর মাট পরিস্কার করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রতিদিন অসংখ্য মোটরসাইকেল, ভ্যান ও রিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ সড়কগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আসিক নামের এক ভুক্তভোগী জানান, আমরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি, কিন্তু এটা দেখার মত কেউ নাই। ফরিদ আহমেদ নামের এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,ভালামের রাস্তায় রোদে ধুলায় মাখামাখি হয় আর বৃষ্টিতে কাঁদায় গোরাগোরী হয়, বলার মত কেউ নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, উপজেলাব্যাপী অবৈধ পুকুর খননের মাটি ইটভাটাসহ বিভিন্ন জায়গায় যায়। এই মাটি পরে শুকনো মৌসুমে ধুলা আর বৃষ্টি হলে কাঁদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়। দু-একজন মানুষের অর্থনৈতিক স্বার্থের কাছে সাধারণ মানুষ অসহায়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বলেন, বিষয়টি আমি জানিনা ঘটনাটি সরজমিনে লোক পাঠিয়ে অবস্থা বুঝে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কে দিয়ে মাটিগুলো রাস্তা থেকে সরিয়ে চলাচলের উপযোগী করা হবে।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :