রাজশাহী মহানগর বিএনপি'র বাকশাল প্রবর্তন ও গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন

রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র বাকশাল প্রবর্তন ও গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন

রাজশাহী

লিয়াকত হোসেন রাজশাহীঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ২৫ জানুয়ারী বাকশাল প্রবর্তন ও গনতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। অত্র দিবস পালন উপলক্ষে এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরনের দাবীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে নগরীর মালোপাড়াস্থ্য বিএনপি কার্যালয়ে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট এরশাদ আলী এশা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ, যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন, আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, বজলুর রহমান মন্টু ও জয়নাল আবেদিন শিবলী। আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহাবায়ক শফিকুল আলম শাফিক এর সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, স্বেচ্ছাসেবক কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাকির হোসেন রিমন ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ বীন তারেক।

এছাড়াও মহানগর তঁাতী দলের সভাপতি আরিফুল শেখ বনি, মহানগর শ্রমিক দলের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সদর, মহানগর জাসাস এর আহবায়ক এ্যাডভোকেট রজব আলী, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সকিনা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারা ও দপ্তর সম্পাদক শাহিনা আকতার রোজি, ক্রীড়া সম্পাদক বিথি, সহ ক্রীড়া সম্পাদক লাভলী, এ্যাডভোকেট সিফাত আরা তুলি, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান জনি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকিসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সভাপতি তঁার বক্তব্যে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে এবং জনগণের মতামত ও বাকস্বাধীনতাকে হরণ করতে এই বাকশাল কায়েম করেছিলেন। শুধু তাইনয় মাত্র চারটি পত্রিকা রেখে সকল পত্রিকা বন্ধ ঘোষনা করেছিলেন। এছাড়াও সকল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, বাকশাল আমলে দেশে অরাজকতা দেখা দেয়। কেউ শান্তিতে ঘুমাতে পারেনি। সে সময়ের আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছিলো। শুধু তাই নয় ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পূর্বেও মানুষ না খেয়ে মরেছে। পড়নে কাপড় না পেয়ে নেট পড়েছে। ১৯৭৪ সালে দূর্ভিক্ষের সময় কুকুরে মানুষে ডাস্টবিন থেকে একসাথে খাবার তুলে খেয়েছে।

সভাপতি বলেন, দেশের এই অবস্থায় মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছিলো। বাবার দেখানো পথেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগুচ্ছে। এখন সেই অবস্থাই বিরাজ করছে। দেশে কোন প্রকার বাকস্বাধীনতা নাই। পত্রিকাগুলোতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকরা লিখতে পারেছনা।

সরকারের সমালোচনা করলেই কলো আইন আইসিটি আইনে মামলা দিয়ে কণ্ঠরোধ করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আবার রাতের অন্ধকারে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তরিঘরি করে নির্বাচন কমিশন আইন পাস করছে। যতই আইন করা হোক নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া এবার কোনভাবেই সংসদ নির্বাচন হতে দেয়া হবেনা। জীবন দিয়ে হলেও এটা রুখে দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেইসাথে সরকার পতনের আন্দোলনে সবাইকে রাজপথে নামার আহবান জানান সভার সভাপতি।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :