সরকারি কর্মচারীদের সীমিত আয়, বেতন-ভাতা নির্ধারণে কমিটি

সরকারি কর্মচারীদের সীমিত আয়, বেতন-ভাতা নির্ধারণে কমিটি

জাতীয়

মোঃ ইসরাফিল হোসেনঃ

৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এরই মধ্যে ৭ দফা দাবি আদায়ের বিভাগীয় সমাবেশ শেষ হয়েছে। আগামী ২৭ মে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহাসমাবেশের কথা রয়েছে। সেখান থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঐক্য পরিষদের নেতারা বলছেন, অষ্টম জাতীয় পে-কমিশনের অনেক অসংগতি এবং বৈষম্য রয়েছে। এ সকল বৈষম্য ও অসংগতি দূর করার জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৭ সালে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া অসংগতি ও বৈষম্যগুলো খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হলেও প্রায় ৫ বছর পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কমিটি কোনো প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে বছর শেষে মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কথা। ইতোমধ্যেই স্থায়ী বেতন কমিশন গঠনের পরিবর্তে মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণের উপায় খুঁজতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির লাগাম কোনোভাবে টেনে ধরা যাচ্ছে না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই সরকারি কর্মচারীরা যেন নতুন পে-স্কেল পেতে চান। দ্রব্যমূল্যের থেকে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি কম বলে দাবি করছে তারা।

জানা গেছে, সরকারি কর্মচারীদের ১১-২০ গ্রেডের আন্দোলনের ফলে সরকারি চাকুরেদের বেতন কাঠামোয় বৈষম্য নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সরকার চাইছে আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই নতুন একটি বেতন কাঠামো দিতে। নতুন বেতন কাঠামোয় কোনোরকম বৈষম্য যাতে না থাকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান সরকারের বেতন বাড়ানোর এ উদ্যোগ অসাধারণ। সরকারি কর্মচারীদের আয় খুবই সীমিত ও স্থির। এজন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রয়োজন। আগামী নির্বাচনের আগে সরকার নতুন বেতন কাঠামো দিতে পারবে।

এবিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর পর পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী পে-স্কেল ঘোষণার সময় হয়ে গেছে। চাকরিজীবীদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানো সংক্রান্ত দাবি দাওয়া সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিবেচনায় রয়েছে। খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসবে। নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা, ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্যভাতা, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড, বৈষম্য নিরসনসহ সরকারি কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া পূরণে সরকার কাজ করছে। সরকার অবগত এবং এটি বিবেচনাধীন আছে। তাদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে আছে এখনো ফাইনাল কিছু হয়নি।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছিল যা এখন কার্যকর রয়েছে। তবে সেসময় স্থায়ী পে কমিশন গঠনের প্রস্তাব থাকলেও সেটি এখনো কার্যকর করা হয়নি। অন্যদিকে, সরকারি কর্মচারীগণ জাতীয় পে- স্কেল মোতাবেক বার্ষিক প্রায় ৫% হারে ইনক্রিমেন্ট পেয়ে থাকেন। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ বেতন বৃদ্ধির ধাপগুলো সেভাবে সাজানো হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বাজারে মূল্যস্ফীতির সাথে বেতন বৃদ্ধির সমন্বয় হচ্ছে না। গত ৬ বছরে ৩০% বেতন বৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৭-৪০%। দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির ফলে নতুন পে কমিশন গঠনের মাধ্যমে ৯ম পে স্কেল ঘোষণাসহ অন্যান্য বৈষম্য দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। 

সরকারি কর্মচারীগণ বারবার ৪০% মহার্ঘভাতা চেয়ে আন্দোলন করছে। অতীত ইতিহাস বলছে সর্বোচ্চ ২০% মহার্ঘভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থ লগ্নী প্রতিষ্ঠানসমূহের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী এবং সামরিক বাহিনীর সকল সদস্যকে অন্তর্ভর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে তাদের মূল বেতনের ২০% (বিশ শতাংশ) হারে মাসিক সর্বনিম্ন ১,৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা মহার্ঘভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এবিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর পর পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী পে-স্কেল ঘোষণার সময় হয়ে গেছে। চাকরিজীবীদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানো সংক্রান্ত দাবি দাওয়া সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিবেচনায় রয়েছে। খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসবে। নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা, ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্যভাতা, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড, বৈষম্য নিরসনসহ সরকারি কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া পূরণে সরকার কাজ করছে। সরকার অবগত এবং এটি বিবেচনাধীন আছে। তাদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে আছে এখনো ফাইনাল কিছু হয়নি।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছিল যা এখন কার্যকর রয়েছে। তবে সেসময় স্থায়ী পে কমিশন গঠনের প্রস্তাব থাকলেও সেটি এখনো কার্যকর করা হয়নি। অন্যদিকে, সরকারি কর্মচারীগণ জাতীয় পে- স্কেল মোতাবেক বার্ষিক প্রায় ৫% হারে ইনক্রিমেন্ট পেয়ে থাকেন। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ বেতন বৃদ্ধির ধাপগুলো সেভাবে সাজানো হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বাজারে মূল্যস্ফীতির সাথে বেতন বৃদ্ধির সমন্বয় হচ্ছে না। গত ৬ বছরে ৩০% বেতন বৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৭-৪০%। দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির ফলে নতুন পে কমিশন গঠনের মাধ্যমে ৯ম পে স্কেল ঘোষণাসহ অন্যান্য বৈষম্য দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। 

সরকারি কর্মচারীগণ বারবার ৪০% মহার্ঘভাতা চেয়ে আন্দোলন করছে। অতীত ইতিহাস বলছে সর্বোচ্চ ২০% মহার্ঘভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থ লগ্নী প্রতিষ্ঠানসমূহের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী এবং সামরিক বাহিনীর সকল সদস্যকে অন্তর্ভর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে তাদের মূল বেতনের ২০% (বিশ শতাংশ) হারে মাসিক সর্বনিম্ন ১,৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬,০০০/- (ছয় হাজার) টাকা মহার্ঘভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য করুন :