স্টাফ রিপোর্টারঃ
গত ১৫ মার্চ রাতের খাবার খেয়ে ভিকটিম তার মৎস্য ঘের পাহারা দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। প্রতিদিনের ন্যায় গত ১৬ মার্চ ভিকটিম মৎস্য ঘের হতে বাড়িতে ফেরত না আসিলে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন ও আত্নীয়স্বজন মিলে তাকে অনেক খোঁজাখুজি করে কিন্তু কোথাও ভিকটিমকে খুঁজে না পেয়ে বটিয়াঘাটা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেন।

খোঁজাখুজির একপর্যায়ে গত ১৯মার্চ সকালে ভিকটিমের পরিবার লোকমুখে সংবাদ পেয়ে বটিয়াঘাটা থানাধীন গাওঘড়া গ্রামস্থ জনৈক্যে এক মহিলার বাগান ভিটার ঝোপঝাড়ের ভিতর ভিকটিমের মৃতদেহ সনাক্ত করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে বটিয়াঘাটা থানায় উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত গ্রেফতারকৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার বিষয়ে র্যাব-৬, স্পেশাল কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং উক্ত হত্যা মামলার আসামীদেরকে গ্রেফতারে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২০ মার্চ র্যাব-৬, স্পেশাল কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোপন তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামী খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা এলাকায় অবস্থান করছে।
প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে র্যব-৬ এর আভিযানিক দলটি খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানাধীন গাওঘড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার হত্যা মামলার পলাতক আসামী শাহিন মোড়ল ও নাঈম শেখকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।
পরবর্তী আইনুনাগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।