মোঃ মিঠু আহম্মেদ, পুঠিয়া ( রাজশাহী) প্রতিনিধি:
রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলা শিলমাড়িয়া৷ ইউনিয়নের হাড়োগাথী গ্রামের এক ষষ্ঠ শ্রেণীর স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ইঠেছে। ধর্ষণকারী হিসেবে একই গ্রামের এক গ্রাম্য ডাক্তারকে সন্দেহ করা হচ্ছে।

ঘটনাটি গত (৯জুন) সকাল ১০ থেকে ১১:০০ টার মধ্যে হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এ সময় তার পরিবারকে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে তাদের মেয়েকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য বলা হয়েছে। এ সময় মেয়ের দাদি বলে ডাক্তার আমার কাছে আসে এবং আমাকে ৫০ হাজার টাকা লোভ দেখায় এবং ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য সে বিষয়ে সতর্ক করে।
ঘটনাটির প্রত্যক্ষদর্শী মেয়ের দুই বান্ধবী বলে প্রতিদিনের মতো আমরা ডাক্তারের বাসায় যাই এবং সে আমাদের গেম খেলার জন্য মোবাইল দেয় একপর্যায়ে আমার বান্ধবীকে পাশের রুমে ডেকে নেয়, অনেক সময় পার হলেও বান্ধবী না আসায় আমরা পাশের রুমে যাই । এসময় ডাক্তার আমাদেরকে কিছু টাকা দেয় এবং ঘটনাটি যাতে কাউকে না বলি সে বিষয়ে বলে।
প্রায় ১১ দিন পর মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়ের বড় বোন মেয়েটিকে অনেক জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে মেয়েটির সত্যতা স্বীকার করে। গত (১৮জুন) বিষয়টি জানাজানি হলো স্থায়ী লোকজন ৯৯৯ কল দেয়। পুলিশ এসে ঘটনাটি তদন্ত আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় ডাক্তার।
এ ঘটনায় মেয়েটি গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় আজ (১৯ জুন) সকালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার জন্য নেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর মা এবং মামা বলে আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।