নিজস্ব প্রতিবেদন :
রাজশাহীর পুঠিয়ায় আ’লীগের এক অংশ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেন। পরে বিক্ষোভের লোকজন সদরে অবস্থিত সিটি ব্যাংকের এজেন্ট অফিসে হামলা চালায়। পরে অফিস ভাংচুর করে প্রায় ১৮ লাখ টাকা লুটপাট করেছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা সদরের আড়ানি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারার অনুসারিরা “শান্তিকামী সচেতন পুঠিয়া উপজেলাবাসী”র নামে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেন। পরে বিক্ষোভ সমাবেশের লোকজন এসে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত সিটি ব্যাংকের এজেন্ট অফিসে হামলা ও ভাংচুর চালায়।
এদিকে জেলা আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ বলেন, জেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারার নির্দেশে ও জেলার আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভকারিরা আমার ব্যাক্তিগত দপ্তর ও আমার ভাইয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিটি ব্যাংকের এজেন্ট অফিসে হামলা ও ভাংচুর চালায়।
এতে হামলাকারিরা এজেন্ট অফিসের নগদ প্রায় ১৫ লাখ টাকা লুট করে নেয়। সেই সাথে আমার দপ্তরে প্রায় তিন লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন অবকাঠামো ভাংচুর করে। এ বিষয়ে জেলার আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বলেন, পৌর আ’লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম এহিয়ার ছেলে ও ঝলমলিয়া হাট ইজারদার নাজমুল ইসলাম সুমনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার হয়।
বর্তমানে সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এরপর প্রতিবাদে আজ আ’লীগের পক্ষ থেকে বিক্ষােভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ব্যাংক এজেন্টে ভাংচুর ও লুটপাট বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু লোকজন সেখানে গিয়েছিল। আমরা তাদের ফেরৎ এনেছি। তবে কোনো লুটপাট বা ভাংচুর করা হয়নি।
তবে জেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা বলেন, তিনি ঢাকায় আছেন। আর বিক্ষোভ সমাবেশ বা ভাংচুর লুটপাটের বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই।
এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, ব্যাংক এজেন্ট পয়েন্টে ভাংচুরের খবর পেয়ে তৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে সেখানে কিছু ভাংচুর হলেও লুটপাটের কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ এলে তা তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।